মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বাকি নেই আর। এরইমধ্যে ভোটারদের মন জয় করতে নানা ধরনের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীরা। দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতিও। তবে এবারের নির্বাচনে ‘গর্ভপাতের অধিকার রক্ষার’ প্রতিশ্রুতির জন্য নারী ভোটাররা ঝুঁকছেন ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী কমলা হ্যারিসের দিকে। এমনকি, নিবন্ধিত রিপাবলিকান অনেক নারীরাও ভোট দিতে চান কমলাকে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি তাদের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে অর্থনীতি, অভিবাসন, মূল্যস্ফীতি ও গর্ভপাতের অধিকারের বিষয়গুলো বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। বেশিরভাগ ভোটারেরই উদ্বেগের মূল কারণ অর্থনৈতিক ইস্যু। তবে এই অগ্রাধিকার তালিকায় গর্ভপাতের অধিকার ইস্যুটিও খুব বেশি পিছিয়ে নেই, বিশেষ করে নারীদের মধ্যে। আর এই ইস্যুটিই এবারের নির্বাচনে ভোটারদের মধ্যে ক্রমবর্ধমান লিঙ্গ বিভাজনের একটি কেন্দ্রীয় অংশ। এ নিয়ে বেশ কয়েকজন নারী ভোটারের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসি। জানতে চেয়েছে তারা কীভাবে তাদের ভোট দেয়ার সময় লিঙ্গ এবং গর্ভপাত ইস্যু বিবেচনা করছেন। এবারের নির্বাচনের সুইং স্টেট অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের একজন নিবন্ধিত রিপাবলিকান মিশেল অ্যালেন বলেছেন, তিনি ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী কমলা হ্যারিসকে ভোট দেয়ার পরিকল্পনা করছেন। কারণ কমলা গর্ভপাতের অধিকার রক্ষায় ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছেন। অ্যালেন বলেন, ‘আমি নারীর অধিকার এবং নারীদের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমি কেনো একটি ইস্যু নিয়ে উদ্বিগ্ন ভোটার নই, তবে এটি (গর্ভপাতের অধিকার) বিশাল একটি ইস্যু।’ এদিকে, কমলা হ্যারিসের পক্ষে নির্বাচনী সমাবেশে যোগ দিয়ে সাবেক মার্কিন ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামাও গর্ভপাতের অধিকারের বিষয়টির ওপর জোর দেন। তিনি ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, তার মতে কমলা হ্যারিসকে নির্বাচিত করতে ব্যর্থ হলে ‘মারাত্মক পরিণতি’ হতে পারে। মিশেল নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়েও বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি বলেন, বিষয়টি (গর্ভপাত) কতটা জটিল, তা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন ট্রাম্প। এ কারণে তিনি ‘অ্যাফোরডেবল কেয়ার অ্যাক্ট’ (সাধ্যের মধ্যে সেবাসংক্রান্ত আইন) প্রত্যাহার করার প্রতিশ্রুতি দেন। বারাক ওবামার আমলে ওই আইন পাস হয়েছিল।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

বিবিসির প্রতিবেদন
ট্রাম্পের দলের নারী ভোটাররা ঝুঁকছেন কমলার দিকে
- আপলোড সময় : ৩১-১০-২০২৪ ০৯:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-১০-২০২৪ ০৯:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ